আজকের সংবাদপত্র থেকে 

For Sharing

আজ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা এবং বাংলাদেশের ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্রগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়  প্রাধান্য পেয়েছে।

কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকা “ট্রাম্পের সঙ্গে সুর মিলিয়ে  মেক্সিকো প্রাচীরকে সমর্থন করলেন নিহত পুলিশের ভাই” শীর্ষকে  একটি খবর প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে,

“নিহত ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পুলিশ অফিসার রনিল সিংহকে ঢাল করে আগেও মেক্সিকো প্রাচীর নিয়ে সওয়াল করেছেন ট্রাম্প। এ বার মেক্সিকো প্রাচীরের পক্ষে মুখ খুললেন রনিলের ভাই রেগি সিংহ।

বৃহস্পতিবার টেক্সাসের ম্যাকঅ্যালেনে মেক্সিকো প্রাচীর সংক্রান্ত এক গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই বৈঠকে ট্রাম্পের ঠিক পাশের আসনেই ছিলেন নিহত পুলিশ অফিসার ভারতীয় বংশোদ্ভূত রনিলের ভাই রেগি।

নিরাপত্তা জোরদার করতে, অভিবাসী আটকাতে মেক্সিকো প্রাচীরের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্প নিজে বক্তব্য তো পেশ করেনই, পাশাপাশি এ বিষয়ে রেগিরও মতামত জানতে চান।

এর পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উদ্দেশে করে রেগি বলেন, ‘‘যে ভাবে তাঁকে খুন করা হয়েছে, আমার পরিবার ঠিক যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এখন, আমি চাই না আর কোনও পরিবারের সঙ্গে হোক, এটা বন্ধ হওয়া উচিত। আমার পরিবারের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।’’ ট্রাম্পও রনিলের পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।

ক্যালিফর্নিয়ার নিউম্যান শহরে দুষ্কৃতীর গুলিতে মারা যান রনিল। পরে জানা যায়, আততায়ী মেক্সিকো থেকে আসা গুস্তাভো পেরেজ় আরিয়াগা নামের এক বেআইনি অভিবাসী। গ্রেফতারও করা হয় তাকে। এর পর থেকেই রনিলের মৃত্যুকে হাতিয়ার করে মেক্সিকো প্রাচীরের প্রতি সমর্থন টানতে চাইছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি ক্ষমতায় আসার পর জাতির উদ্দেশে প্রথমবারের জন্য বক্তৃতা করতে গিয়েও রনিলের প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন। ট্রাম্প তখন বলেছিলেন, ‘‘বড়দিনের পরের দিন আমেরিকাবাসী জানতে পারলেন, তাঁদের এক তরুণ নায়ককে খুন করা হয়েছে। ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে এক বেআইনি ভিনগ্রহের প্রাণী, যে সবে সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে ঢুকেছে।’’

 কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘বর্তমান’ পত্রিকা “মহাকাশে ঘনঘন আলোর ঝলসানি ভিনগ্রহীদের সৃষ্টি, দাবি বিজ্ঞানীদের” শীর্ষকে একটি খবর প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে,

“মহাকাশে রহস্যময় আলোর সঙ্কেত কারা পাঠায়? তারা আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথ থেকে কতটা দূরে রয়েছে? ওই সঙ্কেতগুলি কি ভিনগ্রহীরা পাঠাচ্ছে নাকি এর পিছনে অন্য কোনও বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে? এই সমস্ত বহুপ্রতীক্ষিত প্রশ্নের উত্তর এবার মিলতে চলেছে বলে দাবি করেছেন একদল গবেষক। সম্প্রতি কয়েক লক্ষ আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা এইধরনের আলোর সঙ্কেতের সন্ধান পেয়েছেন ওই মহাকাশবিজ্ঞানীরা। ভিনগ্রহীরাই যে এই আলোর সঙ্কেত পাঠাচ্ছে, নয়া আবিষ্কারে তা প্রমাণ করা যাবে বলে দাবি করেছেন ওই গবেষকরা।
মহাকাশে যে আলোর সঙ্কেতের সন্ধান মিলেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় ফাস্ট রেডিও বার্স্ট (এফআরবি)। বিজ্ঞানীদের মতে, এই আলোর সঙ্কেত অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী হয়। একটি নির্দিষ্ট লয়ে এগুলি জ্বলে এবং নেভে। ক্ষণস্থায়ী হলেও, এই এফআরবি কয়েক সেকেন্ডে যে পরিমাণ তাপ বিকিরণ করে, তা পৃথিবীতে আসা সারা বছরের সূর্যরশ্মির তুলনায় অনেকটাই বেশি। তাই বিজ্ঞানীদের একাংশ এই রহস্যময় আলোর ঝলসানির পিছনে ভিনগ্রহীদের অস্তিত্ব রয়েছে বলে দাবি করেছেন। যেহেতু, এই আলোক সঙ্কেতের উৎস সম্পর্কে সঠিকভাবে কিছু জানা যায়নি, তাই এর নেপথ্যে এলিয়েন প্রযুক্তির যোগ রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক তথা এই গবেষকদলের অন্যতম সদস্য অরুণ নাইডু জানান, এই রেডিও তরঙ্গগুলির উৎস সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি। কিন্তু, যে কম্পাঙ্কে এই তরঙ্গ ব্রহ্মাণ্ডে ছড়িয়ে পড়ছে, তা খুবই চমকপ্রদ। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, যেখান থেকেই ওই সঙ্কেতগুলি উৎপন্ন হোক না কেন, ওই সঙ্কেতের তরঙ্গগুলি কখনওই একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের নীচে নামে না। এই বিষয়টাই আমাদের কৌতূহল বাড়িয়েছে।’
এই প্রথম নয়। অতীতেও এই রেডিও তরঙ্গের অস্তিত্ব পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু, সেগুলি এতটাই কম সময়ের জন্য স্থানীয় ছিল যে, ঠিক কোথা থেকে আসছে তা জানতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। কিন্তু, এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। জানা গিয়েছে, কানাডিয়ান হাইড্রোজেন ইন্টেনসিটি ম্যাপিং এক্সপেরিমেন্টের (কাইম) শক্তিশালী টেলিস্কোপে ফের ধরা পড়েছে এই এফআরবি। একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে তিন সপ্তাহে অন্তত ১৩ বার এই আলো জ্বলেছে-নিভেছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এত ঘনঘন আলো জ্বলতে-নিভতে দেখা যাওয়ায় এবার তার উৎস সম্পর্কে খোঁজখবর চালানো সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীরা এই সঙ্কেতকে রিপিটেড ফাস্ট রেডিও বার্স্ট বলে অভিহিত করেছেন”।

বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক ইত্তেফাক’  পত্রিকা  “উত্তর কোরিয়া সফরে আগ্রহী চীনের প্রেসিডেন্ট” শীর্ষকে একটি  খবর প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে,

উত্তর কোরিয়া সফরে যেতে নিজের আগ্রহের কথা ঘোষণা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বেইজিং সফরের প্রতি ইঙ্গিত করে বার্তা সংস্থাটি বলছে, এই সফরে কিম জং-উন দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে চীনা প্রেসিডেন্টকে উত্তর কোরিয়া সফরে আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন শি জিন পিং।

গত বছরও উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমে চীনা প্রেসিডেন্টের পিয়ংইয়ং সফর নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা আর হয়নি। তবে এবার যদি শি জিনপিং এই সফরে যান তা হবে প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্টের পিয়ংইয়ং সফর।

গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত তিনদিন বেইজিং সফর করেন কিম জং-উন। কোরীয় উপদ্বীপের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত ১০ মাসে এই নিয়ে চতুর্থবার চীন সফর করলেন উত্তর কোরিয়ার এই নেতা”।

বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ‘কালের কন্ঠ’ পত্রিকা “সিরিয়া থেকে সমরাস্ত্র সরাচ্ছে মার্কিন বাহিনী” শীর্ষকে একটি খবর প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে,

“মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর সিরিয়া থেকে সমরাস্ত্র সরিয়ে নিচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইতোমধ্যেই সিরিয়া থেকে কিছু সরঞ্জাম সরিয়ে নিয়েছে সেনারা।

বৃহস্পতিবার এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা একথা জানান।

মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘সিরিয়া থেকে কিছু সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেয়ার খবর আমি নিশ্চিত করছি। তবে নিরাপত্তার কারণে এখন আমি এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছিনা।’

গত ১৯ ডিসেম্বর ট্রাম্প সিরিয়া থেকে আমেরিকান সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়ার আকস্মিক ঘোষণা দেন। তার এমন ঘোষণার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রধান জিম ম্যাটিস পদত্যাগ করেন”।