আজকের সংবাদপত্র থেকে 

For Sharing

আজ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা এবং বাংলাদেশের ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্রগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়  প্রাধান্য পেয়েছে।

কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকা “মনে ভারত, কমলার কাছে আপন আফ্রো-মার্কিন সত্তা”শীর্ষকে একটি খবর প্রকাশ করেছে।

পত্রিকাটি লিখেছে,  সম্ভাব্য প্রথম মহিলা মার্কিন প্রেসিডেন্ট! অথবা প্রথম আফ্রো-মার্কিন মহিলা… কিংবা ভারতীয়-মার্কিন মহিলা বা প্রথম এশীয়-মার্কিন মহিলা— ডেমোক্র্যাট পদপ্রার্থী হিসেবে ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ে নামার পর থেকে কমলা হ্যারিসের নামের পিছনে জুড়েছে এত রকমের তকমা। তবে কমলার বার্তা, ‘‘আমি যা, আমি তাই। আমি তাতেই স্বচ্ছন্দ।’’

৫৪-র অভিজ্ঞ সেনেটরের কি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো জাতি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও আত্মসমীক্ষা রয়েছে? ওবামা তাঁর অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করেছেন আত্মজীবনীতে। কমলা বলছেন, নিজেকে কোন বর্গে ফেলা উচিত, তা নিয়ে তিনি কোনওদিনই খুব বেশি ভাবেননি। তাঁর কথায়, ‘‘আপনারা এ সব নিয়ে ভাবুন। আমি সাধারণ মার্কিন নাগরিক।’’ সদ্য প্রকাশিত আত্মজীবনী ‘দ্য ট্রুথস উই হোল্ড’ –এ এই সেনেটর লিখেছেন, ‘‘আমার মা খুব ভাল করে জানতেন, তিনি দু’জন কৃষ্ণাঙ্গ কন্যাসন্তানকে বড় করে তুলছেন। জানতেন, তাঁর নতুন দেশ মায়া (বোন) আর আমাকে কৃষ্ণাঙ্গ মেয়ে হিসেবেই দেখবে। মা ঠিক করেছিলেন, মেয়েদের আত্মবিশ্বাসী গর্বিত কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক হিসেবেই বড় করে তুলবেন।’’

শৈশব থেকে এই পরিচয় নিয়ে তাঁর কোনও অসুবিধে নেই। সে ব্যাপারে নিজের হিন্দু অভিবাসী মাকে ধন্যবাদ দেন কমলা। একদা চেন্নাইবাসী মা তাঁর কাছে বড় অনুপ্রেরণার জায়গা।

কমলার মা, শ্যামলা গোপালন নাগরিক অধিকার রক্ষার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়েছিলেন। ১৯৬০-৭০-এর সেই সময়কার আফ্রো-মার্কিন সংস্কৃতিও ভালবাসতে শুরু করেছিলেন। জামাইকার কৃষ্ণাঙ্গ স্বামীর  সঙ্গে মিছিলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পরে একাও পথে নেমেছেন। বিচ্ছেদের পরে মেয়েদের নিয়েও স্লোগান দিয়েছেন। কমলা তখন খুবই ছোট।

মেয়েদের ভারতের বাড়িতেও নিয়ে এসেছিলেন শ্যামলা।

তাঁদের ভারতীয় খাবার রান্না করে খাইয়েছেন, ভারতীয় গয়নায় সাজিয়েছেন। মায়ের বাবা ছিলেন স্বাধীনতা

সংগ্রামী। দাদুরও যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে কমলার মধ্যে।

কিন্তু তা সত্ত্বেও মা আফ্রো-মার্কিন সংস্কৃতিকেই মেয়েদের বড় হওয়ার ভিত্তি করে দিয়েছিলেন। ক্যালিফর্নিয়ার বার্কলে-তে থাকাকালীন কমলা প্রার্থনা করতেন আফ্রো-মার্কিন গির্জায়। অভিজাত শ্বেতাঙ্গ পাড়া থেকে অন্য কৃষ্ণাঙ্গ শিশুদের সঙ্গে গিয়েছেন এলিমেন্টারি স্কুলে। পরে ওয়াশিংটনে কৃষ্ণাঙ্গ-প্রধান হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। কমলা-মায়াকে শিশু বয়স থেকে চিনতেন শ্যারন ম্যাকগ্যাফি (৬৭)। তাঁর মতে, ‘‘ভারতীয় সং‌স্কৃতি ওরা ভুলে যায়নি। তবে বড় হওয়াটা কৃষ্ণাঙ্গ শিশু থেকে কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা হিসেবেই।’’ ভারতীয়-মার্কিনদের একটি বড় অংশেরও মত, অতীতে নিজের দক্ষিণ এশীয় সত্তা সে ভাবে মেলে ধরেননি কমলা।

সাত বছর সান ফ্রান্সিসকোর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এবং তার পরে ক্যালিফর্নিয়ায় ছ’বছর অ্যাটর্নি জেনারেল। ২০১৬ সালে সোজা সেনেটে নির্বাচিত। ধীরে ধীরে নিজের ব্যক্তিজীবন এখন আলোচনার কেন্দ্রে এনেছেন কমলা হ্যারিস। এক সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য, ‘‘বিষয়টা আমাকে নিয়ে নয়। আমি যাঁদের প্রতিনিধি, তাঁদের নিয়ে।’’ প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর রাজনৈতিক প্রচারে এ ধরনের কথা বললে জনতার বুঝতে সুবিধে হয় যে, প্রার্থী যা করছেন, সেটা কেন করছেন— মনে করেন সেনেটর। নিজের কথা ঢাক পিটিয়ে না বলার শিক্ষাই পেয়েছিলেন ছোটবেলায়। তাই এখন আত্মজীবনীতে সে কথা বলা।

প্রচারের প্রথম দিনে তাঁর কাছে প্রশ্ন আসে, ‘‘আপনি আফ্রো-মার্কিন। তবে ভারতীয়-মার্কিনও তো বটে?’’ কমলা বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই।’’ আপনি নিজেকে কী ভাবে দেখেন? হেসে তাঁর উত্তর, ‘‘আমার বই পড়েননি? আমি গর্বিত মার্কিন নাগরিক।’

কলকাতা থেকে প্রকাশিত ‘বর্তমান’ পত্রিকা “গান্ধীজীর জীবন যাত্রা তুলে ধরতে খাদি এক্সপ্রেস ট্রেন নামাচ্ছে রেল” শীর্ষকে একটি খবর প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে,  জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জীবনযাত্রা ও স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ভূমিকার বিষয়টি দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে বিশেষ ট্রেন নামাচ্ছে ভারতীয় রেল। নাম দেওয়া হয়েছে ‘খাদি এক্সপ্রেস’। আগামী দু’মাসের মধ্যে যাত্রা শুরু করবে সেই ট্রেনটি। পোরবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে সবরমতী, আমেদাবাদ, রাজকোট, মুম্বই, ওয়ার্ধা ছুঁয়ে বিভিন্ন জায়গার উপর দিয়ে যাবে ট্রেনটি। এমনটাই জানিয়েছেন, খাদি ও ভিলেজ ইন্ড্রাস্ট্রিজ কমিশনের চেয়ারম্যান বিনয়কুমার সাক্সেনা। গান্ধীর জন্ম সার্ধশতবর্ষের কথা মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেছেন, মহাত্মা গান্ধীর আঁকা ছবি এবং তাঁকে নিয়ে প্রদর্শনের জন্য একটি নির্দিষ্ট কামরার পাশাপাশি মোট আটটি বগি রয়েছে ট্রেনটিতে। সেইসঙ্গে, খাদি সামগ্রী বিক্রির জন্য থাকছে একটি সুনির্দিষ্ট বগি। যেখান থেকে বিভিন্ন স্টেশনে কেনাকাটি করতে পারবেন সম্ভাব্য ক্রেতারা। এছাড়া একটি বগি থাকছে যেখানে কীভাবে খাদি বোনা হয়, তার লাইভ ডেমো দেখানো হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামে গান্ধীজি যে সমস্ত জায়গায় থেকেছিলেন, সেখানে এক থেকে দু’দিন দাঁড়াবে ট্রেনটি। এ ধরনের অন্তত ২০টি স্টেশনকে টার্গেট করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাক্সেনা।
বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক ইত্তেফাক’  “ফের মেক্সিকো সীমান্তে সেনা মোতায়েন আমেরিকার” শীর্ষকে একটি  খবর প্রকাশ করেছে।
পত্রিকাটি লিখেছে, মেক্সিকো সীমান্তে ফের ,৭৫০ জন সেনা মোতায়েন করছে আমেরিকা। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে রবিবার এ ঘোষণা করা হয়েছে।

এতে করে আমেরিকার সঙ্গে মেক্সিকোর দক্ষিণ সীমান্তে মোট ৪,৩০০ সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেনারা সীমান্তের নজরদারি, পেট্রোল-এজেন্টদের সাহায্য করবে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন সীমান্তে অর্থ বরাদ্দের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন এমন মুহূর্তে এলো পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এ ধরণের ঘোষণা।

ট্রাম্প বলেন, অবৈধ অভিবাসী রুখতে সেনা মোতায়েন জরুরি।

এর আগে ট্রাম্প অভিবাসীদের ‘ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাদেরকে আমেরিকায় অবৈধভাবে প্রবেশ না করার জন্য সকল ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান”।

বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ‘কালের কন্ঠ’ পত্রিকা “১০০ বছরে ভয়াবহতম বন্যা অস্ট্রেলিয়ায়, রাস্তায় কুমির” শীর্ষকে একটি খবর প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে,  শতাব্দীর ভয়াবহতম বন্যায় ভাসছে অস্ট্রেলিয়া। এই মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ কার্যত জলের নীচে। জলের তলায় স্কুল, কলেজ, বিমানবন্দর সহই। এমনকি জলের তোড়ে রাস্তায় উঠে এসেছে কুমিরও।

বন্যার প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কুইন্সল্যান্ড। বিভিন্ন বাড়ির ছাদ থেকে আটকে পড়া দুর্গতদের উদ্ধারকাজে নেমেছে অস্ট্রেলিয়ার সেনাবাহিনী।

এই সময়টা বরাবরই এই অঞ্চলে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু এরকম ভয়াবহ বর্ষণ কোনওদিন দেখেননি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রবিবার বিকেলে ফ্লাডগেট খুলে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। এর ফলে প্রবল তোড়ে জল এসে ভাসিয়ে নিয়ে যায় গোটা এলাকা।