করোনা ভাইরাসের বিস্তার আটকাতে ২৪শে মার্চ, ২০২০ রাত আটটায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণের বাংলা অনুবাদ

For Sharing

আমার প্রিয় দেশবাসী,

করোনা অতিমারী নিয়ে  বলার জন্য আমি আবার একবার আপনাদের কাছে  এসেছি। গত ২২শে মার্চ আমরা জনতা কারফিউ-এর সংকল্প নিয়েছিলাম, গোটা দেশ দায়িত্বের সঙ্গে তা পালন করেছে। প্রতিটি ভারতীয়ের সক্রিয় অবদান রয়েছে এর মধ্যে। এই সঙ্কটের সময়ে শিশু, বৃদ্ধ, ছোট, বড়, দরিদ্র,  মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত সকলে একজোট হয়েছেন। প্রতিটি ভারতীয়ের সহযোগিতায় জনতা কারফিউ সফল হয়েছে। এই একদিনের জনতা কারফিউ-এর মাধ্যমে  ভারত দেখিয়ে  দিয়েছে যে দেশ এবং মানবতা যখন  বিপদের সম্মুখীন হয়, তখন সমস্ত ভারতীয়  মিলে তার মোকাবিলায় এগিয়ে আসেন। জনতা কারফিউ-এর জন্য আপনাদের সকলকে শ্রদ্ধা জানানো আবশ্যক।

বন্ধুগণ, আপনারা খবরে শুনছেন এবং দেখছেন করোনা অতিমারীর জন্য তামাম দুনিয়ায় কী পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে  শক্তিশালী দেশগুলি পর্যন্ত এই অতিমারীর মোকাবিলায় কতটা অসহায়, তা-ও আপনারা দেখছেন। তার মানে এই নয় যে এইসব দেশ যথেষ্ট চেষ্টা করছেনা বা তাদের হাতে এই কাজের প্রয়োজনীয় উপকরণ যথেষ্ট নেই, কিন্তু করোনা ভাইরাস এত তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে  পড়ছে যে তাদের সব রকম চেষ্টা সত্ত্বেও এই চ্যালেঞ্জ ক্রমশই বেড়ে চলেছে।

গত দুমাস ধরে এই দেশগুলিতে রোগের গতিপ্রকৃতি  সমীক্ষা করে বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে সামাজিক দূরত্বই  করোনা মোকাবিলার একমাত্র উপায়, অর্থাৎ পরস্পরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা এবং নিজের বাড়িতে নিজেকে স্বেচ্ছাবন্দী রাখা। করোনা থেকে আত্মরক্ষার এছাড়া অন্য কোন উপায়  নেই। করোনার বিস্তার  ঠেকাবার জন্যে আমাদের তার সংক্রমণের চক্রটি ভেঙে দিতে হবে। কিছু মানুষের মনে এমন একটা ভুল ধারনা আছে যে যাঁরা কোভিড-১৯ রোগটিতে ভুগছেন, একমাত্র তাঁদেরই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা দরকার, কিন্তু সেটা ঠিক নয়।  সামাজিক দূরত্ব প্রতিটি নাগরিকের জন্য,  প্রতিটি পরিবারের জন্য এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য জরুরি। এ ব্যাপারে কয়েকজনও যদি বিন্দুমাত্র দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেন, তবে তা আপনাদের সন্তান, আপনাদের বাবা-মা, পরিবার, বন্ধু-স্বজন এবং গোটা দেশের জীবনের জন্যই বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াবে।

এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের জন্য দেশকে যে দাম দিতে হবে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। গত দুদিন যাবৎ দেশের অনেক অংশে লক ডাউন করা হয়েছে। রাজ্য সরকারগুলির এই ধরনের প্রয়াসকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া দরকার। অন্যান্য দেশের এবং অভিজ্ঞ স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেশ অাজ এক খুব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে। অাজ মধ্যরাত্রি থেকে, মন দিয়ে শুনবেন, অাজ মধ্যরাত্রি, অর্থাৎ রাত বারোটা থেকে গোটা দেশ সম্পূর্ণ লক ডাউনের অাওতায় অাসবে। ভারতবর্ষ এবং প্রত্যেক ভারতবাসীর সুরক্ষার জন্য বাড়ির বাইরে বেরনোর ওপর পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা থাকবে। প্রতিটি রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, প্রতিটি জেলা, গ্রাম ও জনবসতিতে লক ডাউন করা হবে। প্রকৃতপক্ষে এটা এক ধরণের কারফিউ। জনতা কারফিউ-এর থেকেও কঠোর কারফিউ।

করোনাঅতিমারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে এটি একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। এতে কোন সন্দেহ নেই যে এই লক ডাউনের ফলে দেশ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। কিন্তু প্রত্যেক ভারতবাসীর জীবনের সুরক্ষাই আমার, ভারত সরকারের,  রাজ্য সরকারের এবং স্থানীয প্রশাসনের প্রাথমিক অগ্রাধিকার। এই কারণে আমি আপনাদের অনুরোধ করব যে, আপনারা দেশের যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন। বর্তমান পরিস্থিতিকে নজরে রেখে একুশ দিনের জন্য লক ডাউন বলবৎ করা হবে। অর্থাৎ আগামী একুশ দিন আমাদের জন্য সংকটপূর্ণ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে সংক্রমণের বৃত্তকে ভাঙার জন্য কমপক্ষে ২১ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা আগামী ২১ দিনে এই অতিমারীকে রোধ করতে না পারি, তাহলেদেশ এবং আপনাদের পরিবার ২১ বছর পিছিয়ে যাবে। এই কারণে কিছুদিনের জন্য বাইরে বেরনোর কথা ভাববেন না। বাড়িতেই থাকুন। একটাই কাজ করুন, বাড়িতেই থাকুন।

বন্ধুরা, আজকে দেশজুড়ে লকডাউন করার সিদ্ধান্ত আদতে আপনাদের দরজার সামনে  এক লক্ষন রেখা টেনে  দিয়েছে।

আপনাদের মনে রাখা দরকার বাড়ির বাইরে বেরনো  মানে করোনা ভাইরাসের  মত বিপজ্জনক মহামারীকে ডেকে আনা হবে।

আপনাদের মনে রাখা দরকার  বন্ধুরা, যে প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজনদের সাথে আপনি  দেখা করছেন রোজ  তারা করোনা ভাইরাসের ক্যারিয়ার হতে পারেন।

মনে রাখবেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে প্রাথমিক অবস্থায় সুস্থ মনে হয় এবং বোঝাই  যায়না যে সে সংক্রামিত  হয়েছে।

সুতরাং,  সাবধানতা অবলম্বন করুন, ঘরে থাকুন। আপনাদের  কেউ কেউ খুবই  উদ্ভাবনামুলক ভাবে বাড়িতে থাকার বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন। আমার একটা  ব্যানার খুব পছন্দ হয়েছে যা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই – ক…রো…না.. কেউ রাস্তায় বেরিও না।

বন্ধুরা, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন কেউ যদি  আজ করোনায় আক্রান্ত  হন, সংক্রমনের লক্ষন ধরা পড়তে অনেক দিন লেগে যাবে। ইতিমধ্যে, সে ব্যাক্তি যাদের সংস্পর্শে  আসবে তাদের সকলের  এই সংক্রমন হতে পারে। World  Health Organisation  এর এক রিপোর্ট  জানাচ্ছে যে এই মহামারীতে আক্রান্ত রোগী মাত্র সাত থেকে দশদিনে এক হাজার মানুষের  মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। মানে এই অসুখ দাবানলের মত ছড়ায়।

বন্ধুরা, World  health  organisation এর আর একটি  পরিসংখ্যানও খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ।

গোটা বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক লাখে পৌঁছাতে  মাত্র সাতষট্টি দিন লেগেছে। এরপর, পরবর্তী এক লাখ মানুষ  আক্রান্ত হতে সময় লেগেছে মাত্র এগারো দিন।

এটা  কতখানি ভয়াবহ যে মাত্র চার দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছায় তিন লাখে। তাহলেই বুঝে দেখুন করোনা ভাইরাস কত তাড়াতাড়ি ছড়ায়। আর একবার এই সংক্রমণ ছড়াতে থাকলে একে আটকানো খুব মুস্কিল।

বন্ধুরা, এই কারনেই পরিস্থিতি  হাতের বাইরে চলে যায় চায়না, ইউএসএ, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইতালি, ইরানের মত দেশে। এবং মনে রাখবেন, ইতালি এবং এউএসএ এর স্বাস্থ্য পরিষেবাকে পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ গণ্য করা হয়।

এতদসত্ত্বেও এই দেশগুলি করোনা ভাইরাস এর প্রভাব কে হ্রাস করতে পারেনি। এবার প্রশ্নটি হল এরকম একটি পরিস্থিতিতে আমরা আশার আলো দেখতে পাব কিসে? এই পরিস্থিতি থেকে বেরোনোর উপায় কি? বিকল্পই বা কি? বন্ধুরা, করোনার মোকাবিলা করার জন্য আশার আলো সেই সমস্ত দেশের থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা যা দিয়ে তারা কিছুটা হলেও করো না কে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে। একটানা বেশ কয়েকটি সপ্তাহ সেই দেশের নাগরিক এরা নিজেদের বাড়ি থেকে বেরোননি।এই দেশের নাগরিকরা 100% সরকারি নির্দেশ পালন করেছেন, আর এই জন্য কিছু দেশ মহামারীর থেকে বেরিয়ে আসার পথে অগ্রসর হয়েছেন। আমাদেরও এটি মেনে চলতে হবে যে আমাদের সামনে শুধু মাত্র এই একটি পন্থাই আছে, একটিমাত্র পথ, আমরা বাড়ি থেকে বেরোবো না। যেকোনো পরিস্থিতি হোক না কেন আমাদের বাড়িতেই থাকতে হবে। সোশ্যাল ডিসটেন্সিং সবাইকে মানতে হবে তা সে প্রধানমন্ত্রী হন বা গ্রামের একজন সাধারন মানুষ। করোনার হাত থেকে আমরা তখনই মুক্তি পাব যখন আমরা আমাদের বাড়ির লক্ষ্মণরেখা পার করব না। আমাদের এই মহামারীর ভাইরাসের সংক্রমণকে আটকাতে হবে। এই সংক্রমণের ছড়িয়ে পড়ার শৃঙ্খলাকে ভাঙতে হবে।

বন্ধুরা, ভারত এখন সেই পর্যায়ে আছে যেখান থেকে আমাদের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ এটা নির্ধারণ করবে যে আমরা এই সংক্রমণ কে কতটা হ্রাস করতে পারব। এটি আমাদের দৃঢ়-সংকল্পবদ্ধ হবার সময়। প্রতি মুহূর্তে আমাদের সংযম রাখতে হবে।সকলকে মনে রাখতে হবে প্রাণ আছে, তবেই এই পৃথিবী আছে। বন্ধুরা, এটি ধৈর্য ধরে রাখার সময়, অনুশাসন মেনে চলার সময়। যতদিন দেশের লকডাউনের পরিস্থিতি চলবে, ততদিন আমাদের সংকল্পে অবিচল থাকতে হবে। নিজেদের প্রতিজ্ঞা পূরণ করতে হবে। আমি আপনাদের কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করছি যে বাড়িতে থাকাকালীন আপনারা সেই সমস্ত মানুষের কথা ভাবুন, তাদের মঙ্গল কামনা করুন যারা নিজেদের দায়িত্ব পালনের জন্য প্রাণসংশয় থাকা সত্বেও কাজ করে চলেছেন । সেই সমস্ত ডাক্তার, নার্স, প্যারামেডিকেল কর্মী,প্যাথলজিস্টদের কথা ভাবুন, যারা এই মহামারীর হাত থেকে এক একটি জীবনকে বাঁচানোর জন্য হাসপাতালে অনবরত কাজ করে চলেছেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক আধিকারিকরা, অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার, ওয়ার্ড বয়, এবং সেই সমস্ত সাফাই কর্মীদের কথা ভাবুন, যারা এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। আপনারা সেই সমস্ত মানুষের মঙ্গল কামনা করুন যারা আপনার পাড়া, আপনার সমাজ এবং সার্বজনীন সমস্ত জায়গাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। কাজ করে চলেছেন একটাই উদ্দেশ্য নিয়ে যাতে এই ভাইরাসের চিহ্নমাত্র না থাকে।

যাঁরা আমাদের সমাজের আশেপাশে, রাস্তাঘাট,  পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখছেন যাতে এই ভাইরাস সম্পুর্ণ ভাবে বিনষ্ট হয় দয়া করে তাঁদের জন্য প্রার্থনা করুন। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যাঁরা ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছেন আপনাদের কাছে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য, নিজেদের এই মারণ রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায়-হাসপাতালে, তাঁদের কথাও একবার ভাবুন। আপনারা সেই সব আরক্ষ কর্মীদের কথাও ভাবুন যাঁরা নিজেদের পরিবারের কথা ভুলে দিন রাত্রি আপনাদের  রক্ষা করে যাচ্ছেন আর কিছু লোকের রাগের শিকার হচ্ছেন।

কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার একসঙ্গে করোনা ভাইরাস উদ্ভূত পরিস্থিতিতে খুব দ্রুত কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি  দৈনিক জীবনযাপনে যাতে কোনো অসুবিধা না হয়। দৈনিন্দিন ব্যবহৃত জিনিষ পত্রের জোগান ঠিক রাখার সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সত্যিই বর্তমানের এই দূর্ভাগ্য পরিস্থিতি গরীব লোকদের জন্য খুব খারাপ সময়। কেন্দ্র সরকার, রাজ্য সরকার, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সবাই গরীব লোকেদের কষ্ট কমাতে এগিয়ে এসেছে। অনেক সাধারণ লোকেরাও সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন।

বন্ধুরা, শুধুমাত্র দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় অত্যাবশকীয় পণ্য সরবরাহ নয় জীবন রক্ষার জরুরি ব্যবস্থাও আমরা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছি। সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ ও প্রস্তাব এবং আমাদের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং  বৈজ্ঞানিকদের পরামর্শ মতো ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এখন কেন্দ্রীয় সরকার করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গবেষণা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা পরিষেবা উন্নত করতে স্বাস্থ্য খাতে ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। এর সঙ্গে সঙ্গে মেডিকেল ও প্যারামেডিকেল বিশেষজ্ঞদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। এই বরাদ্দ অর্থে বেশি সংখ্যায় টেস্টিং কিট, পারসোনাল আইসোলেশন ওয়ার্ড, আইসিইউ ওয়ার্ড, ভেন্টিলেটর যন্ত্র এবং অন্যান্য জরুরি সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

আমি রাজ্য সরকারদের বলেছি এখন স্বাস্থ্য পরিষেবাই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ। আমার খুব ভালো লাগছে প্রাইভেট  সেক্টর ও কাঁধে কাঁধ দিয়ে এই মহাসংকট ও অতিমারীর সময়ে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন। এই সংকট কালীন পরিস্থিতিতে প্রাইভেট হসপিটাল ও ল্যাবরেটরি সরকারের সঙ্গে এক সাথে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

কিন্তু বন্ধুরা অনেকেই জেনে বা না জেনে অনেক গুজব ছড়াচ্ছেন। তা থেকে বিরত থাকুন।আপনারা এরকম গুজবে কোনো ভাবেই কান দেবেন না আমার অনুরোধ এই সময় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমস্ত নির্দেশ মেনে চলা উচিৎ।  এই ধরনের অসতর্কতা আপনার জীবন বিপন্ন করতে পারে। আমি প্রত্যেকের কাছে প্রার্থনা করছি এই রোগের কোনো লক্ষন দেখা গেলে আপনার শরীরে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না

আমি নিশ্চিত প্রত্যেক নাগরিক এই সংকট সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারি এবং আঞ্চলিক প্রশাসনের সমস্ত নির্দেশ মেনে চলবেন।  ২১ দিন লক ডাউন এক দীর্ঘ সময়, আমি জানি তা কঠিন মেনে চলা তবে তা আপনার ও আপনার পরিবারের সুরক্ষার জন্য সুস্থতার জন্য একান্ত জরুরি ।

আমার বিশ্বাস  আমাদের দেশ এই সংকট সফল ভাবেই মোকাবিলা করবে এবং এই সংকটে জয়ী হবে । নিজেকে সুস্থ রাখুন এবং আশেপাশের সবাইকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করুন

জয় হিন্দ।